Friday, 28 August, 2026
Logo
বিজ্ঞাপন
যাবতীয় রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও কনা পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয় ।। যোগাযোগ- মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স/ জাকের ট্রেডার্স।। সোবান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড, সিনেমা হলের পাশে, দাগনভুইয়া, ফেনী। প্রোপ্রাইটর জাকের হোসেন আলমগীর ০১৭১১-৯৬২৯২৫।। ০১৮৭১-৯৩০০০৮ মেসার্স কে আহাম্মদ এন্ড সন্স! পরিবেশক,বি এম, ডেল্টা ও ইউনি এল পি গ্যাস! যোগাযোগ- বসুরহাট রোড, সিনেমা হলের সামনে, দাগনভুইয়া, ফেনী- ০১৭১১-৩০৪৮৭৩, ০১৮৩৯-৩৯৭১৩০! দাগনভুইয়া ফিজিওথেরাপী সেন্টার, একটি আধুনিক বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও মুখ বাঁকা চিকিৎসা কেন্দ্র। ঠিকানা- সোবহান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড। (সাবেক ঝর্না সিনেমা হলের পাশে)। দাগনভুইয়া, ফেনী। 01818-019684, 01721-910110

দুদকে মামলা , ঘটনা প্রমানিত হলেও স্বপদে  বহাল প্রকৌশলী আতাউর

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে


ফাইল ছবি

এলজিইডি দূর্নীতি সমাচার -০১  

বিশেষ প্রতিনিধি 


স্খানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর- এলজিইডি’র চারটি লিফট চুরির তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে বলে জানা গেছে। লিফট চুরির ঘটনার মূল হোতা আতাউর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) কে  রক্ষা করতে এবার আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন সাবেক  প্রধান প্রকৌশলী । চারটি লিফটসহ অন্যান্য মালামাল চুরি করে বিক্রির ঘটনায় সরাসরি জড়িত মেকানিক্যাল শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমানকে নিরাপদে রাখতে সাবেক  প্রধান প্রকৌশলী আলি আকতার তৎপর হওয়ায় নানা প্রশ্ন ওঠছে ।
প্রসঙ্গত এসি চুরি,১১ জনকে আউট সোর্সিংয়ে নিয়োগ, গার্ড লোকমানকে ভিআইপি লিফটে দিয়ে তার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ, এবং সিকিউরিটি কে ফটোগ্রাফার সাজিয়ে ফটোগ্রাফার সিরাজের স্থলাভিষিক্ত করে ৬০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া সহ বিভিন্ন অভিযোগে  ২৯ এপ্রিল  ২০২৫ তারিখে দুদুকের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে ০০.০১.০০০০.৫০৩.২৬.৭০৫.২৫ নং স্মারকে দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেল পরিচালক ফ্লোরা বিলকিস জাহান স্বাক্ষরিত চিঠি যা ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্হানীয় সরকার বিভাগ গ্রহন করেন। ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব আশফিকুন্নাহার স্বাক্ষরিত ৪৬.০০.০০০০.০০০.০৬৭.৯৯.০০১৯.২৫-৭৭ নং স্মারকে প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী স্হানীয় সরকার অধিদপ্তর  বরাবর দুরদুর্নীতি দমন কমিশন এর স্বারক নং ০০.০১.০০০০.৫০৩.২৬.৭০৫.২৫-২১৫ এর আলোকে তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন প্ররণের জন্য আদেশ প্রদান করা হয়৷ 

সূত্র জানায়, গত ২০ ও ২১ আগষ্টে লিফট চুরির ঘটনার সময় সিসিটিভি বন্ধ করে রাখা হয়। চুরি হওয়ায় চারটি লিফট ৩৮ লাখ টাকা বিক্রির পর নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান একাই ৩০ লাখ টাকা আত্মাসাতের ফলে সংশ্লিষ ্টদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে এ নিয়ে কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে প্রধান আলি আকতার হোসেনের নির্দেশে লিফটের কিছু জিনিসপত্র দুই অক্টোবরের পর সিসিটিভি বন্ধ করে এলজিইডি’র মূল ভবনের বেজমেন্টে রাখা হয়। সিসিটিভি বন্ধ করে এভাবে কিছু জিনিসপত্র রাখার উদ্দেশ্য হলো- পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদগুলোকে মিথ্যা প্রমানিত করে নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান ও আসাদ চোর চক্রকে রক্ষা করা। প্রধান প্রকৌশলীর নিদের্শে এলজিইডি’র একজন তথাকথিত মিডিয়া কনসাল্টেন্ট’কে দিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ দেয়ারও চেষ্টা করেন নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান ও আসাদ চোর চক্র।
সূত্র জানায়, লিফট চুরির ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর একটি তদন্ত কমিটি ঘঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে চোর চক্রের কাছ থেকে কোনো তথ্য উদঘাটন করতে পেরেছেন কিনা, তা জানা যায়নি। তবে সিসিটিভির পুরাতন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড ব্যবহার শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, আতাউর রহমানকে নিরাপদে রাখতে প্রধান প্রকৌশলী আলি আকতার হোসেন সিসিটিভি বন্ধ করে কিছু যন্ত্রপাতি ফেরত এনে বেজমেন্টে রাখার নাটক সাজান ।
এছাড়া নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান তদন্ত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টার দফতরের সকলকেই নতুন নতুন গাড়ি দিয়ে রেখেছেন বলেও একটি সূত্র জানিয়েছে।
প্রধান প্রকৌশলীর প্রশ্রয়ে আতাউর রহমান মেকানিক্যাল শাখায় দানবে পরিণত হয়েছেন । ভবন রক্ষনাবেক্ষনের কয়েক কোটি টাকা নয়ছয় করে প্রধান প্রকৌশলীর রেফারেন্স কোটেশন এবং ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ তসরুপ করে আসছেন বলেও সূত্র দাবি করছে ।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ একাধিক মামলায় স্পষ্ট ভাবে বলেছেন যে, সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর দূর্নীতির অভিযোগ উত্থাপিত হলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেওয়া কর্তৃপক্ষের আইনগত অধিকার।

Dr,Mohiuddin Farooque বনাম Bangladesh. Write Petition No 998/1996 (Khulna Newsprint Mills Case) এ মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, পাবলিক মানি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা জনস্বার্থের পরিপন্থী এবং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন।

দুর্নীতিদমন কমিশন আইন, ২০০৪: ধারা ৫(২) দুদক স্ব প্রনোদিত ভাবে বা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে বাধ্য।

ধারা ২৭: সম্পদের বৈধ উৎস প্রমাণে ব্যর্থতা অপরাধ বলে গন্য। ধারা ২৬: অভিযুক্তকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখার বিধান।
এলজিইডি সংশ্লিষ্ট অনেকের মতে লিফট চুরির সংশ্লিষ্টতা প্রমানের পরেও দূর্নীতিবাজ আতাউর রহমানকে স্বপদে বহাল রেখে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা ন্যায় বিচারে ব্যাঘাত ঘটানোর সুস্পষ্ট ইঙ্গিত।

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত